বৃহস্পতিবার । এপ্রিল ২, ২০২০ । । ০২:৫৭ পিএম

ছুটিকালে গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তা দিতে সরকারের অনুরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক। নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকম
প্রকাশিত: 2020-03-25 21:55:04 BdST হালনাগাদ: 2020-03-26 12:37:18 BdST

Share on

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত ছুটিকালে গণমাধ্যম কর্মীদের সহায়তা দেওয়ার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

 

বুধবার (২৫ মার্চ) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, স্বাস্থ্যসেবা, গণমাধ্যমসহ অন্যান্য জরুরি কার্যাবলী সরকার ঘোষিত ছুটির আওতায় আসবে না। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারি এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

এতে বলা হয়, ছুটিকালে সময়ে গণমাধ্যম কর্মীদের সহায়তা দেওয়ার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ২৬ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোঘণা করেছে সরকার। এছাড়া করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনায় ২৪ মার্চ থেকে মাঠে নেমেছেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। তারা স্থানীয় প্রশাসনকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করছেন।

 

এদিকে, বুধবার সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতার জন্য সশস্ত্র বাহিনী নামার মধ্যে সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনকালে আলাদা পাসের প্রয়োজন নেই।

 

সচিবালয় বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) নেতৃবৃন্দের কাছে কনোরা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিতরণ অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

 

করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে সাধারণ ছুটি সংক্রান্ত ২৪ মার্চের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ও বিস্তার প্রতিরোধকল্পে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আগামী ২৬ মার্চ সরকারি ছুটি এবং ২৭ থেকে ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে ২৯ মার্চ থেকে ০২ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো। আবার ৩ ও ৪ এপ্রিলের সাপ্তাহিক ছুটি এ ছুটির সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।

 

তবে কাঁচা বাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল এবং জরুরি পরিষেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না।

 

এতে বলা হয়, জরুরি প্রয়োজনে অফিসগুলো খোলা রাখা যাবে। প্রয়োজনে ওষুধশিল্প ও রপ্তানিমুখী শিল্প কলকারখানা চালু রাখতে পারবে। জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটিকালে বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।



  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত