বৃহস্পতিবার । অক্টোবর ২৪, ২০১৯ । । ০৮:৫৮ এএম

আলোকিত নারী উদ্যোক্তা

শুধু গৃহিণী পরিচয়ে জীবন কাটাতে চাইনি: সুমনা হাসান

সৈনূই জুয়েল | নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকম
প্রকাশিত: 2018-03-20 16:57:49 BdST হালনাগাদ: 2018-03-22 14:02:53 BdST

Share on

স্টুডিও ২০০০ এর সত্ত্বাধিকারী সুমনা হাসান। ছবি: নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকম

সময়টা আশির দশকের গোঁড়ার দিকের। গতানুগতিক পড়াশোনার বাইরে তিনি সে সময় ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়ে পড়ার স্বপ্ন দেখেন। এমনকি তখন তিনি টেক্সটাইল ডিজাইন নিয়ে পড়ার মত চ্যালেঞ্জও গ্রহণ করেন। ফলে এটি স্পষ্ট ছিল যে, তিনি শুধুমাত্র গৃহিণী পরিচয়ে জীবন কাটনো আর দশটা নারীর মত নন।

 

বলছিলাম সুমনা হাসানের কথা। তিনি বরেণ্য চিত্রশিল্পী পটুয়া কামরুল হাসানের মেয়ে। নগরীর অভিজাত বিউটি স্যালন স্টুডিও ২০০০ ও স্টুডিও মেন্স এর সত্ত্বাধিকারী।

 

নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে সফল ও আলোকিত নারী সুমনা হাসানের শৈশব, ব্যক্তি ও কর্মজীবনের নানা অনুষঙ্গ।

 

জন্ম, বেড়ে ওঠা যার সৃজনশীল পরিবারে, শুধু গৃহিণী হয়ে জীবন কাটিয়ে দেয়া তার জন্য বেশ দুরূহ।

 

‘বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে শ্রীমঙ্গল চলে গেলাম। হয়ে গেলাম পুরোপুরি সংসারী। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা একঘেয়েমি লাগছিল। প্রচণ্ড তাগিদ বোধ করছিলাম নিজে কিছু একটা করার। শুধুমাত্র গৃহিণী পরিচয়ে জীবন কাটিয়ে দেবার কথা ভাবতে পারছিলাম না। আমার চাওয়াটাও তো এমন ছিলনা।’

 

সুমনা হাসান ১৯৮৪ সালে বিয়ে করেন। বিয়ের সুবাদে স্বামীর সঙ্গে চলে যান সিলেটের শ্রীমঙ্গলে। তার স্বামীর পারিবারিকভাবেই ছিল চা বাগানের ব্যবসা। শ্রীমঙ্গলে দুই বছর বসবাস করার পর ১৯৮৬ সালে ফিরে আসেন ঢাকায়।

 

এবার কিছু একটা করা চাই- হোক চাকরি কিংবা ব্যবসা।

 আলোকিত নারী উদ্যোক্তা সুমনা হাসান

সুমনা হাসান ১৯৮৭ সালের জুন মাসে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। অধিদপ্তর কর্তৃক বেকার যুবদের আত্মকর্ম সংস্থানের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ বিষয়ক ভ্রাম্যমাণ প্রকল্পসহ একাধিক প্রকল্পে বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তিনি গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী, রোকেয়া আফজাল রহমান ও সুলতানা কামাল- এই তিন উপদেষ্টার ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) পদেও দায়িত্ব পালন করেন।

 

তিনি ২০১৫ সালে উপ-প্রকল্প সমন্বয়ক (ডেপুটি প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর) পদে দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

 

সেন্ট্রাল রোড থেকে শান্তি নিকেতন
সুমনা হাসানের জন্ম ১৯৬২ সালের ৪ এপ্রিল। ঢাকায়। আদিবাড়ি পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায়। বাবা প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী পটুয়া কামরুল হাসান। মা মরিয়ম বেগম আওয়ামী লীগের রাজনীতিক ছিলেন। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে বৃহত্তর ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি। ব্যবসায়ি হিসেবে মরিয়ম বেগমের আরেকটি বড় পরিচয় ছিল। তার ব্লক ও স্ক্রীন প্রিন্টের ব্যবসা ছিল।

 

সুমনা হাসানের দুরন্ত শৈশব কেটেছে ধানমন্ডির সেন্ট্রাল রোডে। তার প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি হয় ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলে। বিএএফ শাহিন স্কুল থেকে ১৯৭৮ সালে মাধ্যমিক পাশ করেন তিনি। হলিক্রস কলেজ থেকে ১৯৮১ সালে সম্পন্ন করেন উচ্চ মাধ্যমিক।

 

ইন্টেরিয়র ডিজাইনের প্রতি খুব ঝোঁক ছিল তার। এ বিষয়ে পড়তেও চেয়েছেলিন তিনি। কিন্তু সে সময় এ বিষয়ে পড়ার কোন সুযোগ ছিলনা দেশে। ফলে তিনি চলে যান কলকাতার শান্তি নিকেতনে। সেখানেও ইন্টেরিয়র ডিজাইনে পড়ার সুযোগ মেলেনি তার। ফলে শান্তি নিকেতন থেকে তিনি ১৯৮৩ সালে টেক্সটাইল ডিজাইনে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করে দেশে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে তিনি সংসার ও কর্মব্যস্ততার মাঝে ১৯৯৬ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ কল্যাণে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

বাবা বরেণ্য চিত্রশিল্পী কামরুল হাসানের সঙ্গে ছোট্ট সুমনা হাসান

বাবা পটুয়া কামরুল হাসান তার আদর্শ, মা মরিয়ম বেগম তার অনুপ্রেরণা, উল্লেখ করে সুমনা হাসান বলেন, বাবাকে ভীষণ মনে পড়ে। খুব মিস করি। বাবা যেদিন মারা গেলেন, সেদিন সকালে আমাকে আমার অফিসে নামিয়ে দিয়ে গেলেন। আমার অফিস কক্ষটিও দেখে গেলেন। রাতে খবর এল- বাবা আর নেই। এ কষ্ট কাউকে বোঝানো যায় না, দেখানো যায় না।  

 

নতুন কিছুর নেশায়, সৃজনশীল পেশায়
সুমনা হাসানের মা মরিয়ম বেগম ব্যবসায়ি হিসেবেও সফল ছিলেন। ‘রূপায়ন’ নামে তার ব্লক ও স্ক্রীন প্রিন্টের ব্যবসা ছিল। ব্যবসার পরিসরও ছিল বেশ বড়। প্রায় ৫০ জন কর্মী ছিল তার ব্যবসায়। মরিয়ম বেগম এই ব্যবসা চালিয়েছেন ১৯৫২-১৯৮৬ সাল পর্যন্ত।

 

মায়ের গড়ে তোলা ‘রূপায়ন’র অনুপ্রেরণায় সুমনা হাসান ১৯৯০ সালে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

 

তিনি ‘আদি রূপায়ন’ নামে নতুন করে মাত্র তিনজন কর্মী নিয়ে স্বল্প পরিসরে শুরু করেন ব্লক ও স্ক্রীন প্রিন্টের ব্যবসা। নিউ মার্কেট, চাঁদনী চকসহ ঢাকার বিভিন্ন মার্কেটের বিপণী বিতানে বিভিন্ন নকশায় মুদ্রিত পোশাক সরবরাহ করা শুরু করেন তিনি। তার ব্যবসার প্রধান পণ্য ছিল শাড়ি ও বিছানার চাদর।

 

কেন শুরু করেছিলেন ‘আদি রূপায়ন’- জানতে চাইলে সুমনা হাসান নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, চাকরির টাকায় সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছিল। সে সময় মূলত এ কারণেই শাড়ির ওপর ব্লক ও স্ক্রীন প্রিন্ট করে একটু বাড়তি আয়ের চেষ্টা করা।

 

তিনি আদি রূপায়ন পরিচালনা করেন ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত। এরই মধ্যে তিনি বড় বোন নীলুফার খন্দকারের সান্নিধ্যে রূপচর্চা শিল্পে উদ্যোক্তা হবার অনুপ্রেরণা, পরামর্শ পান।

 বরেণ্য চিত্রশিল্পী কামরুল হাসানের মেয়ে সুমনা হাসান

সুমনা হাসান বলেন, নীলুফার খন্দকার দীর্ঘ সময় বিদেশে ছিলেন। তিনি ২০ বছরেরও বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিউটি স্যালনে কর্মরত ছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি একমাত্র বাংলাদেশি, যিনি কসমেটোলজিতে ডিপ্লোমাধারী।

 

রূপচর্চা শিল্পের চেনামুখ নীলুফার খন্দকারের রূপচর্চা প্রতিষ্ঠান নীলো’স বিউটি স্যালন গ্রাহকদের মাঝে বেশ সমাদৃত ও জনপ্রিয়।

 

১১ হাজার বর্গফুটের গল্প
“নীলুফার খন্দকারের অনুপ্রেরণায় আমি ১৯৯৯ সালে উত্তরায় স্টুডিও ২০০০ চালু করি। ‘গ্রাহক সন্তুষ্টি (ক্লায়েন্ট’স স্যাটিসফেকশন)’কে মূলমন্ত্র এবং ‘স্টাইলের সঙ্গে আমাদের এগিয়ে চলা (উই মুভ উইদ স্টাইল)’ স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু হয় স্টুডিও ২০০০ এর” জানালেন সুমনা হাসান।

 

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনায় কার্যালয়ের আয়তন দেড় হাজার বর্গফুট থেকে যদি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাঁচ গুণ কিংবা সাত গুণ বৃদ্ধি করতে হয় তবে তা উদ্যোক্তার জন্য নিঃসন্দেহে সাফল্যের, আনন্দের।

 

স্টুডিও ২০০০ এর গল্পটাও এমন সাফল্যে ভরা। দেড় হাজার বর্গফুট আয়তনের পরিসরে ১২ জন কর্মী নিয়ে স্টুডিও ২০০০ যাত্রা শুরু করে। এতে সুমনা হাসান চার লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন।

 

বিউটি স্যালনটিতে শুরু থেকেই বাষ্পস্নানের (স্টিমবাথ) মত আধুনিক সেবাসহ রূপচর্চার প্রায় সব ধরণের সেবার ব্যবস্থা রেখেছিলেন তিনি। এমনকি স্যালনটিতে ফিটনেস সেন্টারও ছিল সে সময়। বিউটি স্যালন ও ফিটনেস সেন্টারে পৃথকভাবে সে সময় গ্রাহক ধারণক্ষমতা ছিল ৮-১০ জনের।

 

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে গিয়েছে স্টুডিও ২০০০। বেড়েছে পরিসর, জনবল, সেবার মান ও বৈচিত্র্য।

 

স্টুডিও ২০০০ এর বর্তমান ঠিকানায় (বাড়ি ৪৯, রোড ১৮, সেক্টর ৩, উত্তরা) ৬ হাজার বর্গফুট আয়তনে রয়েছে আধুনিক রূপচর্চার প্রায় সব সেবা। নিয়োজিত রয়েছে শতাধিক দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মী। প্রশস্ত পরিসরে স্যালনটিতে রয়েছে অন্তত ২৫ জন গ্রাহককে একসঙ্গে সেবা দেয়ার ব্যবস্থা। আছে ২০ জনের ধারণক্ষমতার ফিটনেস সেন্টার।

 ২১ ফেব্রুয়ারির একটি অনুষ্ঠানে সুমনা হাসান, পাশে অভিনেতা আফজাল হোসেন, ডাঃ মাফিউন নাফিসা হক

গত বছর ডিসেম্বরে তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুরের রিং রোডে স্টুডিও ২০০০ এর একটি শাখা চালু করেন। ২৫০০ বর্গফুট আয়তনের পরিসরের এই শাখায় ২০ জন কর্মী কাজ করছেন।

 

ছেলেদের রূপচর্চা সেবা দিতে ২০০৭ সালে স্টুডিও মেন্স চালু করেন সুমনা হাসান। এটিও উত্তরায়, স্টুডিও ২০০০ এর কাছেই অবস্থিত। এর পরিসর ২৫০০ বর্গফুট। রূপচর্চা সেবায় নিয়োজিত আছেন ২৫ কর্মী।

 

একমাত্র ছেলে আতেফ হাসানের ধারণা ও পরামর্শে সুমনা হাসান চালু করেন স্টুডিও মেন্স। আতেফ বর্তমানে ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডন-এ অর্থ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর পড়ছেন।

 ছেলে আতেফ হাসানের সঙ্গে সুমনা হাসান

ঝোঁকের মাথায় ঝুঁকি নয়
নারী উদ্যোক্তাদের সাফল্যের ঘটনা নতুনদের জন্য অনুপ্রেরণার। একইভাবে উদ্যোক্তা হিসেবে শুরু করে অল্প সময়ে ঝরে পড়ার ঘটনা নতুনদের বিচলিত করে, নিরুৎসাহিত করে।

 

এ প্রসঙ্গে সুমনা হাসান নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, যেসব নারী উদ্যোক্তা ব্যবসা শুরু করে অল্প সময়ে ঝরে পড়ছেন- তার অন্যতম প্রধান কারণ অন্ধ অনুকরণ। একজন নারী ভাল করছেন, এর মানে এই নয় সবাই ভাল করবেন। জানতে হবে- তিনি কি করে ভাল করছেন। জানতে হবে- ভাল করার পেছনে তার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, প্রশিক্ষণ, অধ্যবসায়, তার আগ্রহের বিষয় ইত্যাদি।

 

যে ব্যবসা নিয়ে আপনি কখনো ভাবেননি, যে ব্যবসায় আপনার আগ্রহ, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা নেই- সে ব্যবসায় ঝরে পড়াটাই তো স্বাভাবিক।

 

ব্যবসা শুরু করার পূর্বে ব্যবসা সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করুন, অভিজ্ঞতা নিন, প্রশিক্ষণ নিন- তাহলে ঝরে পড়ার ঝুঁকি কম। নারীরা যেকোনো ব্যবসা শুরু করতে পারেন। তবে শারীরিক শ্রমনির্ভর ব্যবসা করা নারীদের জন্য চ্যালেঞ্জিং তো বটেই।

 

রূপচর্চা বিলাসিতা নয়, প্রয়োজন
রূপচর্চা এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং এটি এখন প্রয়োজন- মনে করেন সুমনা হাসান।

 

তিনি বলেন, বিউটি পার্লার, বিউটি সার্ভিস সংক্রান্ত সব ব্যবসার উদ্যোক্তা মূলত নারীরা। এ ব্যবসায় ভ্যাট গুণতে হয় ১৫ শতাংশ। সুপারশপ, আসবাবপত্রসহ অনেক ব্যবসায় ভ্যাট ৪ শতাংশ। ফলে এখানে বড় একটি বৈষম্য খুব স্পষ্ট। আয়কর-ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তারা এসব রূপচর্চা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিযান চালাতে হামলে পড়েন, জরিমানা করেন। আর নারীরা এসব মুখ বুজে সহ্য করেন।

 

সরকারি-বেসরকারি নানা মহলে নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তায় নানা রকম সুযোগ সুবিধা প্রদানের কথা বলা হয়। প্রকৃতপক্ষে নারী উদ্যোক্তাদের কল্যাণে এগুলোর কোন কার্যকর ভূমিকা নেই, জানান সুমনা হাসান।

 বিউটি সার্ভিস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র শীতবস্ত্র বিতরণ সংক্রান্ত আলোচনা সভায় সুমনা হাসান

তিনি আরও বলেন, বিউটি সার্ভিস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ নামে আমরা একটি ব্যবসায়ি সংগঠন করেছি। বিগত তিন বছর ধরে এটি অনুমোদনের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ঝুলছে। তারা নানা রকম ঠুনকো অজুহাত দিয়ে অনুমোদন আটকে রেখেছে। বাংলাদেশ বিউটি পার্লার ওনার্স এসোসিয়েশন নামে একটি ব্যবসায়ি সংগঠন থাকায় তারা আমাদের সংগঠনের নাম পরিবর্তনের কথা বলেছে। কিন্তু আমরা তাদের কোনভাবেই বোঝাতে পারছিনা যে, বিউটি পার্লার আর বিউটি সার্ভিস এক কথা নয়। বিউটি পার্লার বিউটি সার্ভিসের একটি সীমিত অংশমাত্র।

 

বিউটি সার্ভিস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র কোষাধ্যক্ষ সুমনা হাসান। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ নারী উদ্যোক্তা ফেডারেশন (বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ওমেন অন্ট্রাপ্রেনার্স) ও বাংলাদেশ মহিলা পুনর্বাসন সংস্থা'র সদস্য।

 

‘অবসর খুব একটা পাইনা। যতটুকু ফুরসত মেলে তাতে ইন্টেরিয়র নকশা করি। ভাললাগে বাগান করতে। পুরনো দিনের গান শুনি।’, জানালেন সুমনা হাসান। 



  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত