বুধবার । মে ২২, ২০১৯ । । ০৬:০১ এএম

রূপ বিশেষজ্ঞ নীলোফার খন্দকারের জন্মদিন আজ

জীবনযাপন প্রতিবেদক | নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকম
প্রকাশিত: 2018-10-10 21:42:47 BdST হালনাগাদ: 2018-11-27 19:49:13 BdST

Share on

রূপ বিশেষজ্ঞ নীলোফার খন্দকার। ছবি: নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকম

নীলোফার খন্দকার। বাংলাদেশের রূপচর্চা শিল্পের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তিনি রূপচর্চা অঙ্গনের চির সবুজ এক পরিপাটি মুখ। দেশ-বিদেশে দীর্ঘ অভিজ্ঞতালব্ধ দেশের একজন সফল নারী উদ্যোক্তা।


আজ ১০ অক্টোবর। নীলোফার খন্দকারের জন্মদিন। জন্মদিনের শুভেচ্ছা, সেই সঙ্গে নিরন্তর শুভকামনা।

রূপ বিশেষজ্ঞ নীলোফার খন্দকার। ছবি: নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকম
কাজ আর পারিবারিক পরিমণ্ডলে থাকতেই পছন্দ করেন নীলোফার খন্দকার। বরাবরই তিনি পরিমিত আর নিভৃত জীবনযাপনে অভ্যস্ত।


দেশে একটি ভাল মানের বিউটি স্কুল গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন নীলোফার খন্দকার।

মা সাবেক সংসদ সদস্য মরিয়ম বেগমের সঙ্গে নীলোফার খন্দকার
রূপচর্চাকে যথেষ্ট সম্ভাবনাময় খাত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেবামুখী এই পেশায় আরও উৎকর্ষ ও গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন ভাল মানের রূপচর্চা প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট গড়ে তোলা, যা এখন সময়ের দাবি। একটি ইন্সটিটিউট আমাদের রূপচর্চা খাতকে অনেক সমৃদ্ধ করতে পারে।


আমাদের এখানে রূপচর্চা শিল্পের বিকাশ হয়েছে। নতুন উদ্যোক্তারা এই খাতে বিনিয়োগ করছেন। এ ব্যাপারগুলো ইতিবাচক, জানান নীলোফার খন্দকার।

নীলোস বিউটি স্যালনের সামনে নীলোফার খন্দকার। ছবি: নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকম
নীলোফার খন্দকারের নিত্যদিনের জীবনযাপন প্রসঙ্গে জানা যায়, তিনি সাধারণত সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠেন। সাড়ে ৮টার মধ্যে নাশতা শেষ করেন। নাশতার পর এক কাপ কফি পান করেন। সোয়া ৯টার মধ্যে তিনি তার কর্মস্থল নীলো’স এর উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বেরিয়ে পড়েন। বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে কর্মস্থল থেকে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পৌনে ৮টায় রাতের খাবার খান।


তার খাবার মেনুতে সাধারণত ছোট মাছ আর ফল সবসময়ই থাকে। সপ্তাহে একদিনের বেশি মাংস খাননা তিনি

নীলোস বিউটি স্যালনে নীলোফার খন্দকার। ছবি: নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকম
বেড়াতে ভীষণ পছন্দ করেন নীলোফার খন্দকার। সম্প্রতি তিনি ইন্দোনেশিয়া থেকে ঘুরে এসেছেন।


তবে এখন আর একা একা বেড়াতে যেতে ভাল লাগে না, উল্লেখ করেন নীলোফার খন্দকার।

চিরসবুজ নীলোফার খন্দকার। ছবি: নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকম

 

এক নজরে নীলোফার খন্দকার
১৯৪২: নীলোফার খন্দকারের জন্ম (১০ অক্টোবর)
১৯৫৯: ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। সেন্ট জোসেফ হাই স্কুল, করাচি থেকে।
১৯৬১: ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন। হোম ইকোনমিকস কলেজ, করাচি থেকে।
১৯৬১: পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সে বিমানবালা হিসেবে কর্মজীবন শুরু
১৯৬৫: বিয়ে করেন, স্বামী বৈমানিক ছিলেন। কর্মজীবন ছেড়ে সংসারে মনযোগী হন
১৯৭১: বিবাহ বিচ্ছেদ। এরপর আর বিয়ে করেননি তিনি।
১৯৭২: যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান
১৯৭২: ওকলাহোমার ইনিড বিউটি কলেজ থেকে বৃত্তি পেয়ে কসমেটোলজি বিষয়ে ডিপ্লোমা করেন
১৯৭৩: রূপচর্চা খাতে প্রথম কর্মজীবন শুরু।
          ওকলাহোমার কনি'স বিউটি স্যালনে কর্মরত ছিলেন ৩ বছর।
১৯৭৫: ভার্জিনিয়া যান।
          সেখানকার 'হেক্টস' নামে একটি সুপারশপের স্যালনে দুই বছর কর্মরত ছিলেন।
১৯৭৭: ভার্জিনিয়ার পারফেক্ট টেন স্যালনে বিউটিশিয়ান হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
         ক্যারিয়ারের দীর্ঘতম সময় তিনি এখানে অতিবাহিত করেন, প্রায় ১৩ বছর।
১৯৯০: বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
১৯৯০: বনানীতে নীলো'স বিউটি স্যালন চালু করেন। স্যালনের আয়তন ছিল ১টি কক্ষ। কর্মী ১ জন।
১৯৯১: নীলো'স বিউটি স্যালনের আয়তন দাঁড়ায় ২টি কক্ষ। কর্মী ৩ জন।
১৯৯৪: গুলশানে স্থানান্তরিত হয় নীলো'স, আয়তন দাঁড়ায় ৩টি কক্ষ সঙ্গে ৭ জন কর্মী।
২০০০: গুলশানের বর্তমান ঠিকানায় আসে নীলো'স।
          আয়তন দাঁড়ায় ৪ হাজার বর্গফুট, কর্মরত আছেন ৩২ জন কর্মী।

 

আরও পড়ুন

রূপচর্চার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা জরুরী: নীলোফার খন্দকার

নীলোস বিউটি স্যালন: আধুনিক ও অভিজাত রূপচর্চার গোড়াপত্তন যেখানে



  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত