সোমবার । আগস্ট ১৫, ২০২২ । । ০১:৩৯ পিএম

লোক নেবে ৫০০, আবেদন আড়াই লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক | নতুনআলো টোয়েন্টিফোর ডটকম
প্রকাশিত: 2022-06-12 15:48:26 BdST হালনাগাদ: 2022-08-05 18:00:25 BdST

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ২ লাখ ৫৫ হাজার ২৯২ জন। অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক পদের এই পরীক্ষা ২৪ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।



২০১৯ সালের আগস্ট মাসে অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। করোনা মহামারির কারণে এত দিন পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।



পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রার্থীদের রোল নম্বর, পরীক্ষার সময়সূচি ও বিস্তারিত আসন বিন্যাস প্রকাশ করা হয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে।


 


সময়সূচি থেকে জানা যায়, ২৪ জুন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক পদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। রাজধানীর ৯৬টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। কোনো কোনো কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি।



কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (পার্সোনেল) মুহাম্মদ আবদুল হাই বলেন, অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক পদে শূন্য পদের সংখ্যা ৫০৬টি। আবেদন করেছেন ২ লাখ ৫৫ হাজার ২৯২ জন। ২৪ জুন এসব প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কম্পিউটার টেস্ট এবং মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।



এই পদে এর আগেও এত বেশি চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছিলেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাধারণত আবেদনকারীর সংখ্যা এমনই থাকে।



পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রবেশপত্র টেলিটকের ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। তবে কিছু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, তাঁরা প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারছেন না।



কারও প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে সমস্যা হলে ওয়েবসাইটে দেওয়া টেলিটকের হটলাইনে ফোন করে সাহায্য নেওয়া যাবে বলে জানান মুহাম্মদ আবদুল হাই।



তৃতীয় শ্রেণির একটি পদের বিপরীতে এত বেশিসংখ্যক পরীক্ষার্থীর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের চাকরির গ্রুপগুলোয় অনেকেই সমালোচনা করছেন।



আমজাদ হোসেন নামের এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, একটা তৃতীয় শ্রেণির পদেই আড়াই লাখ প্রার্থী পরীক্ষা দেবেন। শিক্ষিত বেকারত্বের হার কতট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, তার একটি নমুনা এটি। আমার মনে হয়ে, এই তৃতীয় শ্রেণির পদে যাঁরা পরীক্ষা দেবেন, তাঁদের অধিকাংশই অনার্স-মাস্টার্স পাস। অন্যান্য চাকরিতেও একই অবস্থা।